হেডলাইন

গাংনীর বামুন্দীর আলোচিত শাজাহান হত্যা মামলায় ৭ জনের যাবজ্জীবন

গাংনী নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার নিশিপুর গ্রামের চাঞ্চল্যকর শাজাহান হত্যা মামলায় গিয়াস উদ্দীন, আলম, ইলিয়াস, ভাদু, সমশের, কাজল ও শহিদুল নামের ৭ জনের যাবজীবন সশ্রম কারাদন্ড। প্রত্যেকের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো ৩ বছর করে কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার বিকালে মেহেরপুর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাঃ নুরুল ইসলাম এ রায় দেন। সাজা প্রাপ্ত গিয়াস উদ্দীন নিশিপুরের সুলতান আলীর ছেলে, ভাদু সমশের আলাউদ্দীনের ছেলে। কাজল একই গ্রামের আলতাফের ছেলে এবং শহিদুল সোলেমানের ছেলে। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে সমশের পলাতক রয়েছে। সে আটক কিংবা আত্মসর্ম্পরে দিন থেকে তার সাজা শুরু হবে। মামলার বিবরণে জানাগেছে ২০১১ সালের ৯ এপ্রিল গাংনী উপজেলার নিশিপুর গ্রামের নজর আলীর ছেলে b 24শাজাহান ঘটনার দিন তার ঘরে শুয়ে মোবাইল ফোনে গান শুনছিল। ঐ সময় জিনিয়াস স্কুলের শিক্ষক সুলতানের ছেলে গিয়াস উদ্দীন তার বাড়ি প্রবেশ করে গান বন্ধ করতে বলে। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে বাদানুবাদ হয় এবং স্থানীয় লোকজন বিষয়টি মিমাংসা করে দেয়। এদিকে ঐ দিন বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে আগের ঘটনার জের ধরে গিয়ানের নেতৃত্বে তার লোকজন শাজাহানের বামুন্দী শাজাহানের মটর হাউজে প্রবেশ করে শাজাহানের উপর হামলা চালায়। হামলায় শাজাহান মারাত্বক আহত হয়। আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে বামুন্দীর একটি ক্লিনিকে পরে কুষ্টিয়া সবশেষে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করার পর তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় শাজাহানের ভাই হাবিবুর রহমান বাদি হয়ে গাংনী থানায় ১০ জনকে আসামী করে দন্ড বিধি ৩০২/৩৪, ৪৪৭/৩৭ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-৯। পরে মামলার তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ১১ অক্টোম্বরে চার্যশীট দাখিল করেন। মামলায় মোট ১৪ জন সাক্ষি তাদের সাক্ষ প্রদান করেন। এতে গিয়াস, আলম, ইলিয়াস, ভাদু, সমশের, কাজল ও সাইদুলের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত তাদের যাবজীবন সশ্রম কারাদন্ড, প্রত্যেকের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো ৩ বছরের জেল দেন। মামলার অপর আসামী ঝন্টু, মিনা ও কাদারের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় আদালত তাদের বেকসুর খালাস প্রদান করেন। মামলায় রাষ্ট্র পক্ষে অতিরিক্ত পিপি কাজী শহীদ এবং আসামী পক্ষে এ্যাড. সফিকুল আলম কৌশুলী ছিলেন। এর আগে বিচারক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ বেলা ৩টা ১ মিনিটে আদালতে প্রবেশ করেন। এসময় কাটগরাই উপস্থিত আসামীদের নাম পড়ে শোনান। এর পর পরই তিনি চঞ্চল্যকর এ মামলার রায় ঘোষনা করেন। এদিকে রায় ঘোষনা করার পর পরই নিহত শাজাহানের পিতা বলেন রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। তবে রায় যাতে কার্যকর হয়। মামলার রাষ্ট্র পক্ষে কৌশুলী অতিরিক্ত পিটি কাজী শহীদ বলেন রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। কারণ এ ধরনের হত্যাকান্ড এই ধরনের শাস্তি আমরা আশা করেছিলাম। মামলার বাদী হাবিবুর রহমান বলেন রায়ে আমরা খুশি আমরা চায় এই রায় বলোবদ থাক। পরবর্তীতে যাতে কেউ এই ধরনের অপরাধ করতে সাহস না পায়।

গাংনী পৌরসভায় নিয়োগে অর্ধকোটি টাকার বানিজ্য নিয়ে তুলকালাম

গাংনী নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :

মেহেরপুরের গাংনী পৌরসভায় ৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে অর্ধকোটি টাকার বানিজ্য’র অভিযোগ এনে সাময়িক ভাবে নিয়োগ পরিক্ষা বন্ধ করে দেয় কাউন্সিলররা। পরে সাময়িক বরখাস্তকৃত মেয়র আশরাফুল ইসলাম পৌরসভায় এসে কাউন্সিলরদের সাথে বৈঠক করার পর শুরু হয় নিয়োগ পরিক্ষা। শনিবার  দুপুর ১ টার দিকে গাংনী পৌরসভা প্রাঙ্গনে এ ঘটনা ঘটে।  এদিকে এই নিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোশাররফ হোসেন মেয়র আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করেন। যার তদন্ত চলছে। তদন্ত চলাকালীন সময়ে কিভাবে নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া যায় তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। এমনকি পরীক্ষা শেষ হওয়ার আগেই কে কোন পদে নিয়োগ পাচ্ছে বিভিন্ন ভাবে তা প্রকাশ পাওয়ায় পরীক্ষাথীরা হতাশা প্রকাশ করেছেন। p 24তবে জেলা প্রশাসক বলেছেন, মন্ত্রনালয় থেকে পরীক্ষা নেওয়া যাবে না মর্মে কোন আদেশ আসেনি। আদেশ আসলে বন্ধ করা হবে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ইং তারিখে দৈনিক বর্তমান পত্রিকায় ৬টি পদে ৬ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে মর্মে একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। যার স্মারক নং-গা/পৌ/১৭/৫৩৪(২৫)। এখানে উল্লেখ করা হয় নিম্মমান সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক, হিসাব সহকারী, আদায়কারী, সহকারী লাইসেন্স পরিদর্শক, সহকারী এ্যাসেসর ও অফিস সহায়ক এই ৬টি পদে একজন করে ৬জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। ওই ৬টি পদের বিপরীতে ১৯ জন আবেদন করেছিলেন। সে অনুযায়ী গতকাল শনিবার নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। যথারীতি ওই ১৯ জন সকাল ১১ টার দিকে লিখিত পরীক্ষা দিয়েছেন। পরে মৌখিক পরীক্ষা জন্য আবেদনকারী অপেক্ষা করছিলেন। এসময় ৭নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর বদরুল আলম, ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মিজানুর রহমান, ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইদুল ইসলাম, ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর এনামুল হক এবং ২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মিজানুর রহমান পৌরসভায় প্রবেশ করে নিয়োগে অর্ধকোটি টাকার বানিজ্যর অভিযোগ তুলে আবেদনকারীদের বের করে দেন। পরে পৌরসভার সাময়িক বরখাস্ত হওয়া মেয়র আশরাফুল ইসলাম পৌরসভায় গিয়ে কাউন্সিলরদের সাথে কথা বলে পরীক্ষা শুরু হয়। গাংনী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর বদরুল আলম জানান, কাউন্সিলরদের না জানিয়ে বিভিন্ন পদে গোপনে ৬ জন কে নিয়োগ দিচ্ছে। এ নিয়োগের বিষয়ে তাদের কিছুই জানানো হয়নী। এ নিয়োগে অন্তত অর্ধকোটি টাকা বানিজ্য করছে সাময়িক বরখাস্তকৃত মেয়র আশরাফুল ইসলাম ও ভারপ্রাপ্ত মেয়র নবীর উদ্দীন। প্যানেল মেয়র-২ সাহিদুল ইসলাম জানান, গোপনে নিয়োগ বানিজ্য হচ্ছে একারনে পরিক্ষার্থীদের পৌরসভা থেকে বের করে দেয়া হয়। ২ নম্বর pp 24ওয়ার্ড কাউন্সিলর মিজানুর রহমান বলেন, প্যানেল মেয়র-২ কে বাদ দিয়ে কিভাবে ৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কে নিয়োগ বোর্ডের সদস্য নিয়োগ করা হয়। আমরা যেহেতু জনগনের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি তাই জনগনের কাছে আমাদের জবাব দিহি করতে হয়। অথচ জনগনের প্রতিনিধিদের বাদ দিয়ে গোপনে ৬জনকে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। এদিকে ৬ জন কর্মকর্তা কর্মচারী নিয়োগে অর্ধকোটি টাকা নিয়োগ বানিজ্য সহ কে কে কোন পদে নিয়োগ পাচ্ছে তা প্রকাশ পাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছে পরিক্ষার্থীরা।  টাকা নিয়ে যদি চাকুরী দেয় তাহলে পরীক্ষার নামে প্রতারনা করার প্রয়োজন কি ছিল?  গাংনী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, নিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে মেয়রের দূর্নীতি তুলে ধরে মন্ত্রনালয়ে অভিযোগ করেছিলাম। মন্ত্রণালয় মেহেরপুরের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (ডিডি-এলজি) খায়রুল হাসান সাহেবকে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করেন। সে অনুযায়ী গত ১৪ মে খায়রুল হাসান তদন্ত করেন। কিন্তু তার প্রতিবেদন এখনো দেওয়া হয়। তাহলে তদন্তকালীন সময়ে কিভাবে অভিযুক্ত বিষয়ে নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হয় বুঝিনা। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের কারো হাত আছে কিনা খতিয়ে দেখা দরকার। এ বিষয়ে প্যানেল মেয়র নবীর উদ্দীন বলেন, আমি স্বাক্ষর করার মালিক বাকী সব কিছু মেয়র আশরাফুলের ইশারায় হচ্ছে। সাময়িক বরখাস্তকৃত মেয়র আশরাফুল ইসলাম বলেন, নিয়োগের বিষয়ে আমি কিছু জানিনা। বর্তমান পরিষদে যারা আছে তারা ভালো বলতে পারবেন। অফিস ছুটির দিনে পৌরসভায় আসার কারন জানতে চাইলে বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান। এ বিষয়ে ডিডি-এলজি খায়রুল হাসান মোবাইল ফোন রিসিভ না করলে পরে কথা হয় জেলা প্রশাসক পরিমল সিংহ’র সাথে। তিনি বলেন, পৌরসভার নিয়োগ বোর্ডে আমাদের একজন প্রতিনিধি দেওয়া আছে। কোনরকম ব্যত্যায় হলে তিনি স্বাক্ষর করবেন না। এ ব্যপারে বলা হয়েছে। নিয়োগ পরীক্ষার বিষয়ে বলেন, তদন্তকালীন কোন বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া যাবে না এ বিষয়ে মন্ত্রনালয়ের কোন আদেশ আসেনি। যদি পরীক্ষা বন্ধের আদেশ আসে তাহলে নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ করা হবে।

গাংনী উপজেলা শ্রমিকলীগ সভাপতি হবি সহ ৭ জন কে কুপিয়েছে প্রতিপক্ষরা

গাংনী নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা শ্রমিকলীগ সভাপতি হাবিবুর রহমান হবি সহ ৭ জন কে কুপিয়েছে প্রতিপক্ষরা। শুক্রবার সন্ধ্যার সময় উপজেলার বামুন্দী পশুহাট hh224এলাকার এ ঘটনা ঘটে। গাংনী উপজেলা শ্রমিকলীগ সভাপতি হাবিবুর রহমান হবি’র ছেলে সজল জানান,বামুন্দী নিশিপুর পশু হাটে আসা স্যালো ইঞ্জিন চালিত নছিমন থেকে অবৈধ ভাবে চাঁদা উত্তোলন করে আসছিলো ছাতিয়ান গ্রামের ফিরোজ হোসেন,মিজানুর রহমান সহ তাদের সহযোগীরা। হাট মালিক সহ তার পিতা গাংনী উপজেলা শ্রমিকলীগ সভাপতি হাবিবুর রহমান হবি অবৈধ ভাবে চাঁদা উত্তোলনেh 24 বাধা প্রধান করেন। এসময় ছাতিয়ান গ্রামের ফিরোজ হোসেন ও মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে তাদের কয়েকজন সহযোগী দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে গাংনী উপজেলা শ্রমিকলীগ সভাপতি হাবিবুর রহমান হবি,জয়নাল আবেদীন,আব্দুর রাজ্জাক,ইমানুর রহমান,আব্দুল জলিল,শোভন ও সোহান কে কুপিয়ে আহত করে। গাংনী উপজেলা শ্রমিকলীগ সভাপতি হাবিবুর রহমান হবি ও জয়নাল আবেদীনের অবস্থা আশংখা জনক হওয়ায় তাদের কুস্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এব্যাপরে অভিযুক্তদের সাথে কথা বলতে চাইলে মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।  ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গাংনী থানার ওসি হরেন্দ্র নাথ সরকার জানান,বর্তমানে পরিবেশ শান্ত রয়েছে। অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে। তবে আসামীদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের জন্য এজাহার দিয়েছে। এজাহার টি মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হবে।

হাতুড়ে ডাক্তারের অপারেশন টেবিলে গাংনীর এক যুবকের মৃত্যু

গাংনী নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :

মেহেরপুরে হাতুড়ে ডাক্তারের ভুল অপারেশনে সাইদুল ইসলাম (১৯) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টার সময় সদর উপজেলার আলমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সাইদুল ইসলাম গাংনী উপজেলার গাড়াডোব গ্রামের সানোয়ার হোসেনের ছেলে। এ ঘটনার পর থেকে হাতুড়ে ডাক্তার আলমপুর s 24গ্রামের ফকরুজ্জামান ফুকু ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছে। সাইদুল ইসলামের ফুফু ডলি খাতুন জানান, সাইদুলের নাকে পলিপাস জনিত কারনে প্রতিবেশি হাতুড়ে ডাক্তার ফকরুজ্জামান ফুকু’র কাছে নিয়ে গেলে আমাদের চেম্বারের বাইরে রেখে সাইদুলকে ঘরের মধ্যে নিয়ে যায়। দীর্ঘ্য সময় পার হলেও ঘর থেকে কেউ বের না হলে ভিতরে প্রবেশ করে দেখি সাইদুলের নিথর দেহ পড়ে আছে। হাতুড়ে ডাক্তার ফকরুজ্জামান ফুকু পরিবারের সদস্যদের জানায় সাইদুলের অপারেশন করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের অনুমতি না নিয়ে অপারেশন করলেন কেন এমন প্রশ্নের জবাব না দিয়ে বলেন রুগীর অবস্থা খারাপ মেহেরপুর হাসপাতালে নিতে হবে। এ কথা বলেই হাতুড়ে ডাক্তার ফকরুজ্জামান ফুকু মেহেরপুর হাসপাতালে নেয় সাইদুল ইসলামকে। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাপস সরকার জানান,হাসপাতালে নেওয়ার পূর্বেই সাইদুলের মৃত্যু হয়েছে। মেহেরপুর সদর থানার ওসি রবিউল ইসলাম জানান,নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করেছে। লাশ উদ্ধার করে মেহেরপুর মর্গে নেয়া হয়েছে। ময়না তদন্ত শেষে পরিবারে কাছে লাশ হন্তান্তর করা হবে।

গাংনীতে ৫০ বোতল ফেন্সিডিল সহ অস্ত্র ও মাদক মামলার আসামী কাজল গ্রেফতার

গাংনী নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :

মেহেরপুরের গাংনীতে ৫০ বোতল ফেন্সিডিল সহ অস্ত্র ও মাদক মামলার আসামী মুক্তাদির রহমান কাজল (৩৩) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকাল ১১ f nc 24টার সময় উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মুক্তাদির রহমান কাজল  মোহাম্মদপুর গ্রামের শহিদুল হক সাধুর ছেলে। গাংনী থানার এস আই খালেদ বখতিয়ার ও এএসআই শরিফুল ইসলাম জানান, মুক্তাদির রহমান কাজল একটি স্কুল ব্যাগে ফেন্সিডিল পাচার করছে এমর সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার ব্যাগ তল্লাসী করে ৫০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত  মুক্তাদির রহমান কাজলের নামের মাদক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের পূর্বক আদালতে সোপর্দ করা হবে। গাংনী থানার ওসি হরেন্দ্র নাথ সরকার জানান,মুক্তাদির রহমান কাজলের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে দুটি মামলা রয়েছে।

গাংনীতে গৃহবধুকে গাছের সাথে বেধে নির্যাতনের ঘটনায় ৫ আসামী এখনও ধরাছোয়ার বাইরে

গাংনী নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :

মেহেরপুরের গাংনীতে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ তুলে প্রবাসীর স্ত্রী মুক্তা খাতুন কে গাছের সাথে বেধে নির্যাতন করার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় এখনও gangni meherpur nirjaton pic 24গ্রেফতার হয়নী ৫ আসামী। ঘটনার ১০ দিন পার হলেও মামলার আসামীরা গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে নির্যাতিতা ও তার পরিবার। গত ৫ মে উপজেলার সাহারবাটি কলনীপাড়ার প্রবাসী আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী মুক্তা খাতুন ও গোপালগঞ্জ জেলার মকসুদপুর এলাকার মজিবুর মোল্লার ছেলে স¤্রাট কে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ তুলে গাছের সাথে বেধে নির্যাতন করার অভিযোগে ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করে নির্যাতিতা। মামলা ০৪ তাং ০৬-০৫-১৮ ইং। মামলায় এ পর্যন্ত কালু ও জাবারুল ইসলামের নামের দুজনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ফরহাদ হোসেন জানান,মামলার অন্য আসামীদের গ্রেফতারের জন্য তাদের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছে। তারা বর্তমানে পলাতক রয়েছে। তবে আসামীদের অবস্থান শনাক্ত করে দ্রত গ্রেফতার করা হবে।

গাংনী পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে অনিয়মের তদন্ত শুরু। উভয় পক্ষের স্বাক্ষ্য গ্রহণ

গাংনী নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :

মেহেরপুরের গাংনী পৌরসভার মেয়র আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক খাইরুল হাসান। সোমবার সকাল ১১ টার সময় গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কক্ষে অভিযোগের বিষয়ে দু’পক্ষের শুনানি করেন তিনি। এসময় অভিযোগকারী গাংনী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোশাররফ হোসেন,সাময়িক বরখাস্ত মেয়র আশরাফুল ইসলাম,ভারপ্রাপ্ত মেয়র নবীর উদ্দীন,সহকারী pp24কমিশনার ভুমি দেলোয়ার হোসেন,জেলা পরিষদ সদস্য মজিরুল ইসলাম,ভারপ্রাপ্ত সচিব প্রকৌশলী শামিম আহমেদ,সংসদ সদস্য মকবুল হোসেনের একান্ত সহকারী সাহিদুজ্জামান শিপু,কাউন্সিলর বৃন্দ ও স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক খাইরুল হাসান প্রথমে অভিযোগকারী গাংনী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোশাররফ হোসেনের স্বাক্ষ্য গ্রহন করেন। এসময় মোশাররফ হোসেন অভিযোগ করে বলেন,তৎকালিন পৌর মেয়র আশরাফুল ইসলাম ড্রেন নির্মান,জমি ক্রয়,ড্রাম বসানো,খাম্বা ও লাইটিং,নিয়োগ বানিজ্য,মার্কেট নির্মান সহ ১২ টি অভিযোগ উপস্থপান করেন। এরপরপরই সাময়িক বরখাস্তকৃত মেয়র আশরাফুল ইসলামের বক্তব্য শ্রবন করেন। আশরাফুল ইসলাম মোশাররফ হোসেনের সকল অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে বলেন পৌরসভার কোনো কাজ টেন্ডার ছাড়া করা হয়নি। এছাড়াও ভূয়া বিল ভাউচারে কোনো প্রকার অর্থ আত্মসাত করা হয়নি। সরকারি বিধি বিধান মেনেই সকল কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। শুনানী শেষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করার নির্দেশ দেন তদন্ত কর্মকর্তা। তদন্তকারী কর্মকর্তা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক খাইরুল হাসান বলেন,পৌরসভার মেয়রের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। দ্রত সময়ের মধ্যে সরেজমিন তদন্ত করে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মন্ত্রনালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়া হবে। এদিকে প্রসঙ্গত, পৌর মেয়র আশরাফুল ইসলামের নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে মোশররফ হোসেন গত বছরের ১৬ অক্টোবর স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ, পৌর-২ শাখার উপ-সচিব বরাবর উপরোক্ত বিষয়বস্তুর লিখিত অভিযোগ করেন। মন্ত্রণালয় বিষয়টির তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে পত্র প্রেরণ করে। জেলা প্রশাসক অভিযোগ তদন্তের জন্য অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক খায়রুল হাসানকে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিযুক্ত করেন।

গাংনীর এস কে আর এস মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরিক্ষার পাশ করেনী কেউ

গাংনী নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :

চলতি বছর এসএসসি পরিক্ষায় কোন শিক্ষার্থী পাশ করতে পারেনী মেহেরপুরের গাংনীর সহড়াবাড়িয়া গ্রামের এসকে আর এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ৮ জন GANGNI MAPপরিক্ষার্থীর সকলেই ফেল করেছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয় বন্ধের সুপারিশ করবে শিক্ষা দপ্তর। এদিকে যশোর শিক্ষাবোর্ডের অধিনে শুধুমাত্র গাংনীর সহড়াবাড়িয়া গ্রামের এসকে আর এস মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে কোন শিক্ষার্থী পাশ করতে পারেনী। গাংনী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মীর হাবিবুল বাশার জানান, এসকে আর এস মাধ্যমিক বিদ্যালয় টি বন্ধ করার জন্য সুপারিশ করা হবে। গাংনীর সহড়াবাড়িয়া গ্রামের এসকে আর এস মাধ্যমিক বিদ্যালয় যশোর শিক্ষা বোর্ড কে কলংকিত করেছে। গাংনীর সহড়াবাড়িয়া গ্রামের এসকে আর এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইয়াসিন আলী এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে এড়িয়ে যান। বিদ্যালয়ের সভাপতি আওয়ামীলীগ নেতা আহার আলী এ বিষয়ে কোন কথা বলতে রাজী হননী।

গাংনীতে বজ্রপাতে ৩ জন নিহত। নারী ও শিশু সহ আহত-২০। রক্ষা পেতে চলছে প্রচার প্রচারণা

গাংনী নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :

মেহেরপুরের গাংনীতে গত কয়েক দিনে বজ্রপাতে ৩ জন নিহত হয়েছে। নারী ও শিশু সহ আহত হয়েছে অন্তত ২০ জন। বজ্রপাতে একের পর এক মৃত্যু’র ঘটনায় FB_IMG_1526318318361মানুষের মাঝে আতংক বিরাজ করছে। এদিকে বজ্রপাত থেকে রক্ষা পেলে লিফলেট বিতরণ ও সচেতনা মুলক প্রচার প্রচারনা করছে উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি। বজ্রপাতে নিহতরা হলেন, মোহাম্মদপুর গ্রামের নবীন জোয়াদারের ছেলে হেলু জোয়াদার। গত বৃহস্পতিবার গ্রামের একটি মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মৃত্যু হয় তার। এদিকে কাজিপুর গ্রামের আজাদ আলীর ছেলে ভুট্ট বজ্রপাতে মৃত্যু হয়। শুক্রবার মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়। অপরদিকে রবিবার হাড়াভাঙ্গা কালিতলা পাড়ার আমির হোসেনের ছেলে জিয়া হোসেন মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মারা যায়। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে নারী ও শিশু সহ অন্তত ২০ আহত হয়েছে। গাংনী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী দিলিপ কুমার সেন জানান,বজ্রপাতে নিহত জিয়া হোসেন ওFB_IMG_1526318288865 হেলু মিয়ার দাফন কাফনের জন্য ২০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে। ভুট্ট’র পরিবারকে আগামি দুএক দিনের মধ্যে আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে। এছাড়া বজ্রপাতে আহত রুপচাদ নামের এক ব্যাক্তিকে ৫ হাজার টাকা সহায়তা দেয়া হয়েছে। বজ্রপাতে আহত অন্যদের সহায়তার দেয়ার জন্য প্রক্রিয়া চলছে।  গাংনী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী দিলিপ কুমার সেন আরো জানান,বজ্রপাত থেকে রক্ষা পেতে লিফলেট বিতরণ,গুরুত্বপূর্ন স্থানে ব্যানার ফেস্টুন টাঙ্গানো ও মসজিদে মসজিদে সচেতনা মুলক আলোচনা করা হচ্ছে। এছাড়া বজ্রপাত থেকে রক্ষা পেতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গাংনী উপজেলায় ২৫ হাজার তালের বীজ ও গাছ রোপণ করা হয়েছে। জরুরী আবহাওয়া বার্তা জানতে যে কোন মোবাইল থেকে ১০৯০ নম্বরে ডায়াল আহবান জানানো হয়েছে।

কৃষকদের কান্নায় হাসছে প্রভাবশালীরা। গাংনীতে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ

গাংনী নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ধানখোলা ইউনিয়নের নিত্যানন্দপুর-পাকুড়িয়ার মাদিয়ার বিলে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করার কারণে এলাকার কয়েক হাজার বিঘা আবাদি জমি পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। এলাকার প্রভাবশালী কতিপয় ব্যক্তি ওই বিলে মাছ চাষ করার ফলে এ সব আবাদি জমি অনাবাদী রয়ে যাচ্ছে। khal pic24একারনে খাদ্য উৎপাদন কমছে। প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছেনা ভুক্তভুগীরা। সম্প্রতি চিৎলা গ্রামের চাষিরা ওই খালের ওপর নির্মিত বাঁধ ভেঙ্গে দেওয়ার জন্য গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বরাবর অভিযোগ দেন। সরেজমিনে জানা যায়,সরকার প্রায় ১ কোটি টাকা ব্যয়ে কৃষি কাজের উন্নয়নের স্বার্থে মাদিয়ার বিলে সুইচ গেট ও  খনন করে। ওই বিলে এখন স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি মাছ চাষ করার ফলে বিলের আশে-পাশের গ্রামের শতশত চাষীর কয়েক হাজার বিঘা আবাদি জমি এখন পানির নিচে পড়ে থাকায় কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। এলাকার চাষি কামরুল ইসলাম,কাজল,শিশিরপাড়া গ্রামের চাষী মুনতাজ আলী, আব্দুর রহমান,আলেহীম আলী,বাঁশবাড়ীয়া গ্রামের আব্দুল মোতালেব আলামিন হোসেন,নিত্যানন্দপুর গ্রামের সুদিন মল্লিক,পাকুড়িয়া তাছের আলী অভিযোগ করে জানান,মাদিয়ার বিলে বাঁধ দিয়ে এভাবে মাছ চাষ করলে,আমাদের মতো কৃষকদের না খেয়ে জীবন-যাপন করতে হবে।  চাষিরা জানান, চিৎলা গ্রামের সাবেক মেম্বর মন্টু ,মতিনpic24 ,আব্দুর সাত্তার, মহিদুল ইসলাম ওই মাদিয়ার খালে মাটির বাঁধ দিয়ে দীর্ঘদিন মাছ চাষ করছে। ওই বাঁধের কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টিতে আমাদের আবাদি জমি অনাবাদি হয়ে গেছে। তিনি বলেন, আমাদের আবাদি জমিসহ ফসল পানির নিচে তলিয়ে আছে। ধানখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আখেরুজ্জামান জানান, সরকারী ভাবে খাল-খনন ও সুইচ গেট করলেও কিছু সুবিধাবাদী ব্যক্তি ওই বিলে মাছ চাষ করে লক্ষ,লক্ষ টাকা লুট লুট-পাট করছে । কৃষকদের স্বার্থে এটার একটি সুরাহ হওয়া উচিত। এ ব্যপারে অভিযুক্ত কয়েকজনের সাথে কথা বলতে চাইলে বিষয়ে এড়িয়ে যান। গাংনী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবুল-কালাম জানান, বিষয়টি পরিদর্শন করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। উপজেলা কৃষি অফিসার শাহাবুদ্দীন আহমেদ বলেন,কৃষকদের ক্ষতি করে মাছ চাষ শোভনীয় নয়। তাই এ ব্যপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে। গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষ্ণুপদ পাল  বলেন অভিযোগ পেয়ে তদন্ত  করতে সহকারী কমিশনার ভুমিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

© 2017 SoftItHost
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.